Header Ads

নড়াইলে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

অগ্নিবীণার আয়োজনে অনুষ্ঠান 
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর আজ ৪৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী।  ১৯৭৬ সালের আগস্ট মাসের এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন।

জাতীয় কবির স্মরনে বিকালে নড়াইল পৌরসভা এলাকার চৌরাস্তা চিত্রা রিসোর্ট অফিস প্রাঙ্গনে অগ্নিবীণা সাহিত‌্য সাংস্কৃতিক ও নাট‌্য পরিষদের আয়োজনে একটি   দোআ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

অনুষ্ঠানে  নজরুল সংশ্লিষ্ট সংগঠন অগ্নিবীনার সভাপতি এম মাহাবুবার রহমান মিঠুর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলামের সঞ্চালনায়  নজরুলের জীবনীর উপর  আলোচনা রাখেন উপস্থিত নড়াইলের কবি সাহিত‌্যিক বৃন্দ। 

বর্তমানে কবিকে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়েছে। এখানেই তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ডাক নাম ‘দুখু মিয়া’। পিতার নাম কাজী ফকির আহমেদ ও মাতা জাহেদা খাতুন।
বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি ছিলেন একাধারে কবি, সংগীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক ও অভিনেতা। তিনি বৈচিত্র্যময় অসংখ্য রাগ-রাগিনী সৃষ্টি করে বাংলা সঙ্গীত জগতকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। প্রেম, দ্রোহ, সাম্যবাদ ও জাগরণের কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ও গান শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রামে জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেছে। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর গান ও কবিতা ছিল প্রেরণার উৎস।
নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্য কর্ম বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টি করে। তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার পথিকৃৎ লেখক। তাঁর লেখনি জাতীয় জীবনে অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিকাশে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। তাঁর কবিতা ও গান মানুষকে যুগে যুগে শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ দেখিয়ে চলছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পরই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে স্বপরিবারে সদ্য-স্বাধীন বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বাংলাদেশে তাঁর বসবাসের ব্যবস্থা করেন। ধানমন্ডিতে কবির জন্য একটি বাড়ি প্রদান করেন।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.