Header Ads

সুপারিশ ছাড়া নড়াইল টি.টি.সি কোর্সে ভর্তি অসম্ভব

টিটিসি নড়াইল
নড়াইল কারিগরি প্রশিক্ষন কেন্দ্রে ০৪ মাসব‌্যাপী মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষন কোর্সে  ভর্তি কার্যক্রমে ভয়ানক দূর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। সুপারিশ ছাড়া এই কোর্সে ভর্তি সম্ভব নয় এই বিষয়টি “ওপেন সিক্রেট” হয়ে উঠেছে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ভর্তি প্রত‌্যাশি শিক্ষার্থী এমন অভিযোগ করেছেন।

সামান‌্য অস্থায়ী একটি কোর্সে ভর্তি হওয়া নিয়ে এমন হট্টগোল এবং সুপারিশের হিড়িক দেখে শিক্ষার্থীরা হতবাক হয়ে পড়েছেন। একাধিক  সূত্র থেকে জানা গিয়েছে টিটিসির অধ‌্যক্ষ জনাব শামিম এর নিকট ২০০ এর অধিক সুপারিশ জমা পড়ে এবং তিনি সুপারিশের চাপে দুইদিন নিজস্ব মুঠোফোনটি বন্ধ করে রাখেন ও সরজমিনে অধ‌্যক্ষের ব‌্যবহৃত নাম্বারে ফোন দিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।


গত ২৭ আগষ্ট (মঙ্গলবার) নড়াইল পৌরসভার দূর্গাপুর কারিগরি প্রশিক্ষন কেন্দ্রে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষন এর ভর্তি পরিক্ষা নেওয়া হয় এতে ৪০টি আসনের বিপরিতে ২০০ অধিক ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করেন। পরিক্ষা দিতে আসা অনেকেই আছেন যারা এর আগেও পরিক্ষায় অংশগ্রহন করে চান্স পাননি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষার্থী জানান “ গত চার মাস আগে আমার ৯৫ শতাংশ প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়েছিলাম আমি চান্স পাইনি এবং এবার শতভাগ সঠিক উত্তর দিয়েছি এবারো জানি চান্স হবেনা”


দূর্নীতির বিষয়টি নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নড়াইলের বৃহৎ সোশাল মিডিয়া নির্ভর গোষ্টী “নড়াইল জেলা গুরুপে” ফারাজী রফিক নামে এক ব‌্যক্তি লেখেন-

“জেলা টি.টি.সিতে মোটর ড্রাইভিং এর ভর্তির জন‌্যও নাকি সুপারিশ লাগে”



পোষ্টটির সমর্থনে একাধিক নেতিবাচক মন্তব‌্য করতে দেখা যায় সোশাল মিডিয়া ব‌্যবহারকারীদের।

ব‌্যাপারটি যাদের হাতে সমাধান রয়েছে তারাই ভর্তি সুপারিশ করছেন বলেও অভিযোগ  রয়েছে, সাধারন শিক্ষার্থীরা কি করবেন? তারা বছরের পর বছর শুধু পরিক্ষা দিয়ে যাবেন? এমন প্রশ্ন রেখেছেন রেজাল্ট দেখতে এসে ফিরে যাওয়া ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা।
২য় বারের মতো পরিক্ষা দিয়েও শতভাগ সঠিক উত্তর দিয়ে টিকতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়েন এক শিক্ষার্থী





Blogger দ্বারা পরিচালিত.