Header Ads

শার্শায় যত্র তত্র গড়ে উঠেছে ডায়াগনস্টিক ক্লিনিক সেবা নামে কসাই খানা

মোঃ নজরুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধিঃ
যশোরের শার্শা উপজেলায় গড়ে উঠেছে চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা ক্লিনিক সেবা প্রতিষ্টান।ভুয়া ডাক্তার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে এ সব ক্লিনিক সেবা।শার্শা উপজেলার গোগা বাজারে সীমান্ত নাসিং হোম এন্ড ডায়াগনস্টিক নামে ডাঃশাহিন ক্লিনিক খুলে গ্রাম-গজ্ঞের সাধারণ সহজ সরল মানুষ গুলো কে মান সম্মত চিকিৎসা সেবা না পেয়ে অপচিকিৎসা ফলে মৃত্যুর পথে ধাবিতো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত১৪ অক্টো রাত্সাড়ে ১১টার সময় গোগা গ্রামের আব্দুস সাত্তারের মেয়ে শিরিনা খাতুন কে সিজার করার অভিযোগ করেন।ডাঃশাহিনের সীমান্ত নাসিং হোম এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার গোগা বাজার।সিজারের ১০থেকে১৫ দিনে মধ্যে রোগীর অবস্থ অরো খারাপ হতে থাকে।রোগীর অবস্থা বেগনীত দেখে তার স্বামী উপজেলার সাত মাইল জোহরা ক্লিনিকে ভর্তি করান।তিনি বলেন এখন সুস্থ আছেন এবং সময় মত সঠিক চিকিৎসা না দিলে হয়তো ইনফেক্সন হয়ে মারা যেত আমার স্ত্রী।তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমার শ্বশুর না বুঝে দালালদের খপ্পরে পড়ে গোগা বাজারে ঐ ক্লিনিকে ভর্তি করান।যেখানে রোগীদের সুস্থ না করে টাকার লোভে আরো অসুস্থ করে তোলে রোগীদের কে, তাদের কে আইনের কঠোর আওতায় এনে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানো উচিৎ বলে মনে করেন। এ বিষয়ে সীমান্ত নাসিং হোম এন্ড ক্লিনিকের মহাজন ডাঃশাহিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমাদের চিকিৎসা সেবারমান ভালো কোন রুগীদের সমস্যা হয় এমন কোন চিকিৎসা আমরা দেয় না।কিছু ক্লিনিক ব্যাবসায়ী ও অসাধু মানুষ আমার ক্লিনিকের নামে মিথ্যা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তার ক্লিনিকের রেজিস্টশন হয়েছে কি সিভিল সার্জনের কোন অনুমতি কাগজপত্র আছে। জানতে চাইলে তিনি বলেন কাগজপত্র রেজিস্ট্রিশন করার জন্য আবেদন করেছি এখনো অনুমোদন বা রেজিস্টেশ হয় নাই। ৫ নভেম্বর মঙ্গলবার সরেজিনে গিয়ে দেখা যায়।যে রুগী চলাচলের জন্য অনুপোযোগী ব্যাবস্থা।রোগী অপরেশন করার জন্য ব্যাবহৃত যন্ত্রপাতি গুলো খোলা পরিবেশে ও নোংরা অবস্থায় রাখা হচ্ছে।অতি খুদ্র ছোট ঘরে অপারেশন করার ব্যবস্থা।সঠিক যন্ত্রপাতির ব্যাবস্থা সংকটপূর্ণ।ক্লিনিকের রেজিষ্টন আবেদন করেছেন কিন্তু অনুমতি পাওয়ার আগে চিকিৎসা প্রতারণা বাণিজ্য কর্যক্রম করেছে সাধরণ রোগীদের সাথে। এ সমস্ত ক্লিনিকে দুর্ভাগ্যজনক শিকারে পরিণত হচ্ছে রোগী ও সাধারণ মানুষ।অবৈধ্য চিকিৎসাব্যবসা, ভুয়া ডাক্তার ও মাস্তান চিকিৎসাবণিকের দাপটে দেদারছে চলছে এসব ক্লিনিক ব্যাবসা। বিভিন্ন বাহারি ডিগ্রির সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে নিরীহ রোগীদের প্রতারিত করছে।যার ফলে চিকিৎসার চরম অরাজকতা বিরাজ করছে।ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে রোগীর জীবন।এ সমস্ত হাসপাতাল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলোতে চিকিৎসা ভুল দেয়ার কারণে অনেকে মারা যান ও জীবন যন্ত্রনায় কাঁতরান।বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই ভুয়া ডিগ্রিধারী ডাক্তারদের ভুয়া চিকিৎসায় রোগীর অবস্থা গুরুতর হয়। অল্প সময়ে নিভে যায় তাদের জীবন আলো। আর ভুয়া ডাক্তার দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সব জায়গায়। ভুয়া ডাক্তারের পাশাপাশি জাল ডিগ্রিধারী এমবিবিএস পাস না করে নামের আগে পিছে দেশ-বিদেশের ভুয়া উচ্চতরডিগ্রি ব্যবহার করে রোগী দেখছেন।


হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের অর্থ। ভুয়া ডাক্তার দালালদের দৌরাত্ম্যে ভুল চিকিৎসায় অবহেলা আর চিকিৎসা বাণিজ্যের কবলে পড়ে মারা যাচ্ছে অনেক রোগী। চিকিৎসাসেবায় ভুয়া ডাক্তার ও অপচিকিৎসা ব্যবস্থাপনা টি বছরের পর বছর ধরে দুরারোগ্য ক্যান্সারের মতো চেপে বসেছে। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে ভুল চিকিৎসায় নির্মম বলি হবে সাধারণ রোগীরা।ভুয়া ডাক্তারের বিরুদ্ধে প্রায় মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অভিযোগ ওঠে। আবার ভুয়া ডাক্তার হয়েও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরিচয়ে প্রতারণা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। বাণিজ্যের লক্ষ্যে ভুয়া ডাক্তারের নামের পিছনে, এফ আর এস এইচ, এমএসিপি, এমআরসিপি, পিজিটি, এমভি এবং এফসিপিএস বিভিন্ন ডিগ্রী উল্লেখ করেন। ভুয়া ডিগ্রীর সঙ্গে দেশর নামও লেখা থাকে সাইনবোর্ডে। এ কারণে সাধারণ রোগীরা এসব ডাক্তারকে বিদেশী ডিগ্রিপ্রাপ্ত মনে করেন। এ সুযোগে ভুয়া ডাক্তাররা রোগী প্রতি ভিজিট ৩০০ থেকে ৫০০শত এবং হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছে। এছাড়াও গ্রাম-গঞ্জে ভুঁইফোড়ন হচ্ছে শতশত হাতুড়ে ডাক্তার। তারা সঠিক চিকিৎসা না দিয়ে রোগীদের কে জীবন সংকটাপন্ন করে তুলছে।এ ভাবে প্রতিদিন রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করে হাতিয়ে নিচ্ছে অটল অর্থ।
সমাজের জ্ঞানীব্যাক্তিরা বলেন,এ সমস্ত ভুয়া ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার ভুয়া চিকিৎসক অবৈধ চিকিৎসা বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে দিনের পর দিন সাধারণ সহজ সরল রোগীদের জীবনে নেমে আসবে কালো ধোঁয়া। এজন্য উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে জরুরি পদক্ষেপ নিতে দৃষ্ট আকর্ষন করেন।শার্শা উপজেলার মধ্যে ডিগ্রীপ্রাপ্ত একটিও ডাক্তার নেই মনে হয় গ্রামবাসীর দাবি অতি তাড়াতাড়ি আইন প্রয়োগকারী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে মনে করেন।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.